ইংল্যান্ডে মাতৃসেবা সমকট


ইংল্যান্ডে মাতৃসেবায় সংকট, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো পরিবার

একটি সন্তানের জন্ম—একটি পরিবারের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত।
কিন্তু সেই আনন্দই যখন পরিণত হয় শোক, যন্ত্রণা আর আজীবনের ট্রমায়—তখন প্রশ্ন ওঠে, কোথায় ছিল চিকিৎসাব্যবস্থা?

ইংল্যান্ডের মাতৃসেবা নিয়ে সাম্প্রতিক একাধিক তদন্তে উঠে এসেছে গুরুতর চিত্র।

শুধু Nottingham-এর মাতৃসেবা নিয়ে Ockenden Review-তে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি পরিবারের ঘটনা পর্যালোচনা করা হয়েছে। তদন্তে ৫২০টি মা ও শিশুর ক্ষেত্রে গুরুতর বা বড় ধরনের ক্ষতির বিষয় চিহ্নিত হয়েছে।

আরও ভয়াবহ তথ্য—বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত চিকিৎসা পেলে ২৬০টি শিশুর পরিণতি বদলাতে পারত। এর মধ্যে ১৫৫টি শিশু মারা যায়, আর ১০৫টি শিশু গুরুতরভাবে আহত হয়।

তদন্তে উঠে এসেছে—মায়েদের অভিযোগ গুরুত্ব না দেওয়া, শিশুর সংকেত সময়মতো বুঝতে না পারা, হার্ট মনিটরিংয়ের ভুল ব্যাখ্যা এবং চিকিৎসকদের কাছে দ্রুত বিষয়টি না পৌঁছানোর মতো একাধিক ব্যর্থতা।

আর এটি শুধু Nottingham-এর ঘটনা নয়।

ইংল্যান্ডজুড়ে CQC-এর পরিদর্শনে ৩৬% NHS maternity service-কে ‘requires improvement’ এবং ১২%-কে ‘inadequate’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সময়ে দেশে প্রায় ২,৫০০ midwife-এর ঘাটতি রয়েছে বলে Royal College of Midwives-এর তথ্য উদ্ধৃত করা হয়েছে।

এখন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রশ্ন একটাই—

একটি সন্তান হারানোর পর, একটি পরিবারকে আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে সত্য ও জবাবদিহির জন্য?

সরকার ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডের সব maternity setting-এ Martha’s Rule চালুর ঘোষণা দিয়েছে, যাতে মা ও পরিবারগুলো চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ জানালে তা দ্রুত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হয়।


Similar Posts